Archive

Monthly Archives: February 2013

‘জয়বাংলা” শ্লোগানের (রনধ্বনি) সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ

১৯৬৯’র ১৭ই সেপ্টেম্বর মধুর কেন্টিনে, শিক্ষা দিবস উপলক্ষে পুর্ব-পাকিস্তান ছাত্রলীগের সভায় হঠাৎ সবাইকে চমকে দিয়ে আফতাব উদ্দিন আহম্মেদ চিৎকার দিয়ে শ্লোগাল দিলেন ‘জয়বাংলা’ রিপিট করলেন চিশতী শাহ হেলালুর রহমান এরপর এই শ্লোগান কিছুক্ষন চলে/ এর পরে ‘জয়বাংলা’ শ্লোগানটি উচ্চারিত হয় ১৯৭০’র ৪ঠা জানুয়ারী আওয়ামিলীগের জনসভায়, ছাত্রলীগ শ্লোগান দেয় (এতে আওয়ামিলীগের কিছু সংখ্যক নেতা পুর্ব-পাকিস্তান ছাত্রলীগের কর্মীদের সাথে রাগারাগি করেন), এর পরে ‘৭০এর ১১ই জানুয়ারী পল্টনে মদুদীর জনসভায় পুর্ব-পাকিস্তান ছাত্রলীগের কর্মী-সংগঠকরা মুহুর্মুহু ‘জয়বাংলা’ শ্লোগান দিতে থাকে এর সাথে যুক্ত হয় বেশ কিছু শ্রমিক জনতা ‘জয়বাংলা’ শ্লোগানে শ্লোগানে তেতে উঠে পল্টন ফলাফল মদুদীর জনসভা পন্ড ২ জন নিহত ৫০০জন আহত, এর পরের রোববার ১৮ই জানুয়ারী পল্টনে পডিপি’র জনসভায় নুরুল আমিন বক্তৃতা দিতে দাড়াতেই মুহুর্মুহু ‘জয়বাংলা’ শ্লোগান ফলাফল ফলাফল পিডিপির নেতারা মঞ্চ ছেড়ে পালিয়ে যান।

চট্টগ্রামে: ১৯৬৯’র ডিসেম্বর মাসের শেষের বুধবার তারিখ মনে নেই স্কুল ফাইনাল পরীক্ষা শেষ পর দিন হরতাল ছিলো পতেঙ্গা এয়ারপোর্ট স্কুল মাঠে তখনকার রানওয়ের শেষ মাথায় হরতালের মিটিং চলছিলো মিছিলের মধ্যে হঠাৎ একটি কিশোর ছেলে চিৎকার দিয়ে বলে উঠলো ‘জয়বাংলা’ তাঁর সাথে দু’জন কিশোর রিপিট করলো ‘জয়বাংলা’ ১ বার, ২ বার, ৩ বারের সময় নেতারা (বাদশা মিয়া সওদাগর, আহম্মেদ শরীফ মুনির) ঐ ছেলেদের মুখ চেপে ধরলো ১টা ২টা কিলও দিলো, তার বেশ কিছুদিন পর ঐ নেতারাই জয় শ্লোগান দিতে থাকলো, শুনা যায় ১ম ছেলেটির সাথে পুর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের আ ফ ম মাহবুবুল হকের যোগাযোগ ছিলো।

‘জয়বাংলা’ শুধুই শ্লোগান নয়, ‘জয়বাংলা’ বাঙ্গালী জাতির স্বাধিকার আন্দোলন ও মুক্তির যুদ্বের শানিত অস্ত্রও।

সুত্রঃ শাহবাগে সাইবার যুদ্ধ’s status. ফেসবুক

Today is the 20th day of Shahbag movement. Today it is the 20th day, that we have woken up, we raised our voices and being able to speak. Life after a coma is stressful. The body parts don’t work smoothly. It takes time to adjust. However it is always brilliant to be able to cherish life once again.

Shahbag has been a blessing for the country, for the people and for generations to come. If we look at the achievements of Shahbag the sack is full of success stories. Joy Bangla is to begin with. The time has come finally for Bengali Nationalism to stand united under one slogan and Joy Bangla it is. It has been the slogan of our freedom fighter forefathers who inspired themselves with this slogan. It is very peculiar to see how we can turn a song or a slogan political. If you sing “Prothom Bangladesh” you are BNP and if you sing “Shob kota Janala” you are AL. Same goes for slogans. If you look into it, Joy and Jindabad has no difference apparently. Expect for Joy is Bangla and Jindabad is not. Joy Bangla is closer to the heart. And Jindabad resonates Pakistan. However many will now promptly say Joy resonates India. Well, yes and no both. Joy is Bangla, simple.

Second, Shahbag has given the voice back to us. The courage to stand for what we believe. Courage to demand for a secular, religion friendly cultured nation. Courage to stay out all night under the sky and scream Joy Bangla. Shahbag has given us a unity. Unity beyond our political preferences. Unity that was formed during the liberation war, the integrity to stand together come what may. The silent apolitical majority has gained their political power. Great.

Shahbag has the potential to turn Bangladesh upside down, to start everything afresh. But this is a tricky game. Popularly known as politics. The caretakers of the movement are working relentlessly to make it a bigger success. To actually bag the the desired goals it requires something more. When the movement started it stood on only one demand: kader Mollar Phashi chai. Slowly it expanded to Rajakarer Phashi Chai within few hours. Later it actually turned rightfully into an anti Jamat movement, aligned with the main focus of our liberation war in 1971 . Jamat-E-Islami I like to call Jamat-non-Islam are the vendors of Islam, along with many other religious political parties. Unfortunately the shrewd Jamat has been successful in turning it to look like a hate Islam movement. The bloggers who has started the movement has their individual religious likings. Most of them are believers and some are Atheist. Jamat has fabricated the atheist bloggers into Anti Islamist. The following day, in the process since Rajib’s murder, they have circulated fake blogs and writings under Thaba Baba’s name which are extremely inappropriate and explicit. This created a major block for the Islamic minded people who are anti Jamat. They felt Thaba Baba has hurt the Islamic emotions. They distributed leaflets and poster in the rural areas to the innocent God loving (read god fearing) Bangladeshi’s. In the process we have on one hand lost a major population from the movement and secondly the character of the movement changed. Now we have to spend quite a good number of resources and time to prove WE ARE NOT ANTI ISLAM. And thus get less time to focus on the rather important part of the movement.

On other hand, lot many people are coming to ask, so, hows the AL propaganda going? They think the Gonojagaran Moncho is actually an AL patronized and facilitated movement. As one of the early birds I know and believe it is still a mass movement as it was in day one. In the main stage we do see lots of political parties and leader representing but that is very much required. It is essential to have people from all walks of life, be it AL, Chatra Union, Chatra federation, Chatra Front, other social and business organizations like FBCCI, BASIS, BGMEA, National Cricket Team, Jahanara Iman squad, Magic Movement to name just a few. We could accommodate Chatra Dol too only if they realized what they are missing. Everyone shall come join. We are mass. Who holds the mike is irrelevant as people are going by the spirit. As soon as they will see anything going against the mass interest people will lose their zeal and with a heavy heart they shall return home. This rise of masses has been a tough game. Manipulating this will not give the government a good result. The courage it has gained from the movement is bold enough to stand strong. AL still couldn’t make the mass to say Joy Bongobandhu. Not that it really changes anything but they consciously avoid being sounded AL. I thank the Chatra league too for not imposing things on the mass. However few league faces and pro league faces are always on the stage which has agitated the crowd, but this certainly hasn’t yet demotivated any. Those who say this, think twice as you are might playing a role in dividing the unity.

For the last 42 years this division made parties like Jamat to flourish. There is a popular saying: if there are two Bangladeshi’s living in one place there are 3 different groups. But currently we don’t need the division. We need stand together forgetting the differences for the moment and move on. Yes once we can save Bangladesh from the vendors of Islam we will have our entire lives to correct ourselves. This is not the time or the stage to demand other issues. This is time to unite against an evil anti liberation force who has the audacity to destroy Shahih Minar, National flag and torch inside the main mosque of the country. It is time to stand for a religion friendly secular state.

The Gonojaron Moncho should also focus on spreading the true essence of the movement to the rural people. We should form security forces for every locality. We have to give ownership to the mass. And also instead of creating havoc on who stole the credit of the movement everyone should work within their own surrounding keeping the essence of the movement same. Some responsibility also goes for the ‘celebrity atheist members’ of the movement, to be careful in choosing right words. We don’t want to hurt other people’s emotions.

The country is currently going through a very crucial time. We have come close to the victory. Therefore for the spirit of the movement we have to believe nothing can come in between, no ifs or buts.

(এই লেখার সাথে জীবিত, মৃত, অর্ধ মৃত বা অসহায় কারো মিল নিতান্তই কাকতালীয় )

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে একবার সাহেবরা জিজ্ঞেস করেছিলোঃ (মতান্তরে বঙ্কিমচন্দ্র)

ঈশ্বর, বল এপ্যাদ (আপদ) আর বিপ্যাদের (বিপদের) মাঝে পার্থক্য কি?

তিনি বললেন, এই যে তোমরা ভিনদেশী আমাদের শাসন করছো এইটা বিপদ, আর ইংরেজের কাছে বাংলা পরিক্ষা হল আপদ।

গল্পটা মাথায় আসলো শাহবাগ প্রসঙ্গে।

শাহবাগের আন্দোলনের কিছু আপদ আর বিপদ আছে… এই আপদ আর বিপদের আবিষ্কার নিতান্তই আমার কপিরাইট মানে এই মন্তব্যের সাথে শাহবাগকে বা অন্য কোনও আন্দোলনকারি দায়ি নয়।

শাহবাগের বিপদঃ

জামাত-নন-ইসলাম আর জামাত শিবির। এখানে মতান্তর না হবার সম্ভাবনা বেশী।

শাহবাগের আপদঃ সহজ ভাষায় কেপি (কাঁঠাল পাতা) পসিটিভ!

১। ঊউচ্চ শিক্ষায় সুশিক্ষিত লিবারাল জনগোষ্ঠী। (এরা সাধারণত রাস্তায় নামেন না। সামাজিক মিডিয়াতে কাজ করেন। অহ! বিদেশী পত্রপত্রিকায় লেখেন) – এদের ধরন হলো এরা ফাঁসি দেখতে পারে না। বড় মায়া হয় ফাঁসি শুনলে। একবিংশ শতকে এসে পশুর মত আচরণ কেন করবে? এদের বলিঃ এর পর বিএনপি ক্ষমতায় গেলে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা মুক্তি পাবে না, নিশ্চয়তা দিলে এক্ষনি বাড়ি যাই গা। না হইলে তখন আপনাদের ফাঁসির দাবি নিয়া মাঠে নামব।

২। হালকা বিএনপি পন্থি। (আসলে দ্বিধান্বিত) – এদের দাবি আরে রাজাকার কি শুধু জামাতরা নাকি? আওয়ামী লীগে রাজাকার নাই? কেনো তাদের ফাঁসি দাবি হচ্ছে না। আরে ভাই, মহিষ গুলারে আগে দেখি, ছাগল পরে।

৩। কড়া বিএনপি পন্থি বা ছিদ্রান্বেষী ধরি মাছ না ছুঁই গোষ্ঠী বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে টাইগার বাম গোষ্ঠী । (এদের আমরা সবাই চিনি) – এদের দাবি, যদি জামাত কল্লা কাটে তবে ছাত্র লীগ কি করে? পদ্মা ব্রিজ, ট্রানজিট, বিশ্বজিৎ, কেন আমাদের ৬ দফায় নাই। হায় হায় আন্দোলন তো আওয়ামী লীগ হাইজ্যাক করলো। আমরা যারা দিনরাত মাঠে থাকি তাদের কাছ থেকে শুনেনঃ আওয়ামী লীগ হাইজ্যাক করে নিবে কই? এত বড় পকেট নাই আমাদের দেশের কোনো দলের। জনগণের ক্ষমতার শক্তি চেনেন?

৪। হতাশা গোষ্ঠী। (কোনো কিছুই এদের মন ভরাতে পারে না, রামগরুড়ের ছানা কিছিম) – কি হবে? এরা কি পাবে? শাস্তি কি হবে? আমার মনে হয় এখন এক্সিট প্ল্যান করা উচিত। এইসব হাঙ্গামা আর ভাল্লাগে নারে ভাই। অনেক তো হইল…

৫। ধর্ম গেলো গোষ্ঠী। – অনেকে ভুইলাও পশ্চিমে হোঁচটও খায় না কিন্ত রাজিবের ব্লগে জাত যায়। অনেকে খুবই ধার্মিক কিন্তু আন্দোলনের চেয়ে তাদের ধর্ম বড়। মানে ইয়ে, রাজাকারের সাথে সাথে রাজীবরেও পারলে ঝুলায়ে দেয়। কি বিবেক!!

৬। ধান্দাবাজ গোষ্ঠী। (বয়স ৪৫+ দেশের সকল ঘি খাওয়া) – রথ বলে আমি দেব, পথ বলে আমি, মুর্তি বলে আমি দেব হাসেন অন্তর্যামী। যদিও এরা আপদ না, বিপদ। কিন্তু এরা ভীতু তাই আপদে রাখলাম। এরা ডিরেক্টলী আওয়ামী লীগ না কিন্তু আওয়ামী গন্ধ আসে গা থেকে। – এরা আন্দোলনের ক্রেডিট চায়। হায়! হায়! হায়!

সকলকে বলি – একটাই দাবি – ফাঁসি ফাঁসি! রাজাকারের ফাঁসি।

– একজন অতি সামান্য কর্মী।

জেগেছে তারুণ্য
শ্বানিত কন্ঠে
ধ্বনিত হয় জয় বাংলা
উত্তাল উন্মাদ শাহবাগ
কম্পিত হয় প্রতি মুহূর্ত

নবজাগরণের জোয়ারে
ভেসে যাবে অতীতের গ্লানি
দৃপ্ত শপথ কঠিন বজ্রমূর্তি
পাপ অন্ধত্ব হারিয়ে যাবে
কালের গহব্বরে

নির্ঘুম সদা জাগ্রত শাহবাগ
বাংলা কখনো দেখেছে কি
সাধারণের মাঝে কত শক্তি
মাঠে নেমেছে আজ
খোকা বুড়ো জননী

যতই পালাতে চাই
শাহবাগ ধরে পিছু
নিস্তার নাই
ভূতের মত ঘাড় চেপে আছে
অদ্ভূত এক বিচ্ছু

Bangladesh has never been so positive, so neutral and so united. Yet, this is really sad and heart breaking to see that the recent major youth uprising in Bangladesh didn’t get any international media attention. Thus I am putting my points in my blog. Anyone can quote and share.

February 5, when it started. When the verdict against Quader Molla (an infamous war crimial who was proved guilty of killing 344 people in village Alubdi in 1971 with 4 more accusation of murder and rape proved) gone against public expectation. Even when the war criminal was proved guilty he received life-long imprisonment. Within an hour the young bloggers and online activists called out to the people of the country to unite and protest in Shahbag the University area. And within next few hours this has become the biggest youth movement in Bangladesh. This movement has a unique characteristic. There is no leader. The spontaneity is what driving the force. There is no violence, no vandalism and no extremism. Everyone stands in solidarity and in harmony.

Right now today is the 12th day of the movement, everyday thousands of people gather in Shahbag near Dhaka University in solidarity with the protestors, who demands capital punishment of all the war criminals. Now this is a people’s movement. This is a round the clock protest. People stays till late night, light up candles and sing national anthem, give slogans and share this brilliant momentum. The protestors are receiving food, water, funds to make posters, banners and other materials from all sectors of people. Yesterday blogger Rajiv Haider has been be-headed by terrorists Jamat E Islam cadres. This has given more force to the movement. Along with the main demand ‘capital punishment for all war criminals’, the protestors demanded to ban Jamat from politics, boycott all Jamat owned, supported organizations and accomplices. People at the movement says, Jamat Islam do not hold the pure essence of Islam. They are trading Islam for their own benefit.

The convener of the movement Dr. Imran Sarkar a young blogger and activist has requested the entire country to stand up and be silent for three minutes from 4:00pm till 4:03 pm to demand capital punishment for all war criminals on last Tuesday. Last Thursday millions of Bangladeshis lighted candles in solidarity. This is magnificent to find out the unity that has been formed centering this movement. People have gone beyond their political ideologies. Bangladeshi from all class, culture even beyond border stood up together. Entire nation stood together. Life came to a halt.

To many, capital punishment is unacceptable. I accept. But people who are defending capital punishment for these war criminals need to know the difference between genocide and simple murder. The non-negotiable issues in life requires stronger move. Self respect, national pride are that non-negotiable issues for us. Moreover we want the highest form of punishment that prevails in our country for the war criminals. In Bangladesh death sentence is the ultimate. So let it be. Since Rajiv’s murder this debate of weather or not to give death sentence becomes absolutely pointless.

This country won the independence from Pakistan in 1971 after three million people were killed and two hundred thousand female were raped. As my good friend Diya wrote on her Face book status: “While the concept of capital punishment in the 21st Century has been brought under scrutiny, it cannot be denied the likes of Quader Mollah and other war criminals committed heinous acts – not only against the sovereignty of a nation, but also the greater humankind. Killing and raping of hundreds of thousands of innocent people, who had little or no clue what was coming onto them and preying on the weak at the dead of the night is not collateral damage, it is cold-blooded murder. Anyone who commits such crimes deserves nothing less than a death sentence. It is not religion or politics – it is the right of the people of a democratic and free country to receive justice. Justice that comes liberated of agendas, elections, fundamentalism and partisan politics; justice for the common people.”

People have come out on roads and fighting back Jamat Shibir. They have come out on roads with whatever they have to fight back. This is extraordinary. Sheer brilliance. The youth has finally woken up. We have stood against Islamic extremism and for the Bangladeshi nationalism. Joy Bangla (Victory Bangla) is the magic word that has united all of the people here in Bangladesh. The movement has now gone nationwide. In every district many groups have formed unity and together they have participated in the movement. This is no longer only Dhaka based. It is now one of the biggest movements in Bangladesh since its independence.

It is extremely important to mention that Shahbag Movement is not against Islam. Patriotism is a mandate of Islam. Just as we are Muslims doesn’t mean we can visit other muslim counties without visa. Reason is country comes above all. That is what my faith Islam taught me. My faith Islam also taught me to have patience, to love. Taught me to stand beside my mother land. Jamat is anti liberation force. They killed Humayan Azad for not being an atheist but for criticizing Jamat and their motifs. The war is against Jamat! Do or die.

However how long this will continue only time can tell. But for the moment it is certain that these people are not leaving the ground with a verdict that goes for the public. Emotionally sprung movements often have no systematic conclusion. But the unity this movement formed, the courage it generated among the people, is what matters. We are much braver than what we were exactly a week back. Bangladesh has woken up.

We are Shahbag, we are Bangladesh. Hear us.

রায় শোনার প্রথম মুহূর্তে কেমন যেন দিশেহারা বোধ করছিলাম। এ কি হল? এও কি সম্ভব? হরতালের দিনে আস্তে আস্তে অফিসে গেলাম। কাজে মন বসে না। সবার মাঝেই অস্থিরতা, উদ্বেগ আর বিষণ্ণতা। এ রায় মেনে নেয়া অসম্ভব। প্রথম আলো ব্লগের হাসিব বলল পলা আপা চলেন শাহবাগ যাই, প্রতিবাদ সমাবেশ আছে। ধীরে ধীরে জাকারিয়া ভাই, ফিরোজ ভাই, ফারুক ওয়াসিফ ও মাহফুজ রনি রিক্সা নিয়ে চলে গেলাম শাহবাগ। যাবার সময় স্ট্যাটাস দিয়ে গেলাম, আসতে বললাম বন্ধুদের।

জাদুঘরে পৌঁছে দেখি আমরাই দুই চার জন। এদিক ওদিক কয়েক জন। ভাবলাম তিনটা বাজে মানুষ কই? ব্লগার ইমরান, ছুটাছুটি করছেন। মিনিট দশেক পার হল। ব্যাস! কয়েক’শ বন্ধু এসে গেলো। তারপর সবাই মিলে স্বঃস্ফুর্তভাবে মানব বন্ধন, শাহবাগ দখল। সেইদিন থেকে আজ পর্যন্ত শাহবাগ, দিনরাত রাতদিন। আড্ডা, স্লোগান, গান ও প্রতিবাদ চলছে। যেদিকে তাকাই স্বজন। কেউ খাবার এগিয়ে দেয়, কেউ পানি, কেউ মশাল কেউ বা পোষ্টার। সিমু, সুফি, রবি, দিয়া, মিকা, ফাবিন আমি নাম জানা অজানা আরও অনেকে মিলে পরিকল্পনা। এরপর খাঁচা, রাস্তা পরিষ্কার, ফানুশ, আগুনের খেলা। ধীরে ধীরে আরো বন্ধু আরো স্বজন যোগ দিল। শাহবাগ বাড়ি হয়ে গেলো। এতটুকু কষ্ট হয় না। বাড়ি যেতে ইচ্ছা করে না।

চারদিনের অবস্থানের পর, আজ ছিল মহাসমাবেশ। মনে রাখবেন দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়া যাবে না। নিয়ম করে প্রতিদিন আসবেন শাহবাগ। সকলে মিলে পাহারা দিতে হবে দিন রাত। চাঁদা তুলে ছোট ছোট গ্রুপে চলবে আন্দলন। গনমানুষের এই আন্দোলন বহন করছে আমাদের প্রানের দাবি। এই মঞ্চ কোনো রাজনৈতিক মঞ্চ নয়, কোন রাজনৈতিক দাবি নাই আমাদের। শুধু চাওয়া একটাই। রাজাকারদের ফাঁসি। এখানে আওয়ামী লীগ আসবে, জাসদ আসবে, সিপিবি আসবে, ছাত্র ইউনিয়ন আসবে, ছাত্র লীগ আসবে, আমি আসব তুমি আসবে। এখানে নেতা নেই, ব্যানার নেই বা দল নেই। আছে তারুন্য, আছে অঙ্গিকার আছে মমতা।

আমি জানি অনেকে ফাঁসির বিপক্ষে। যুক্তি আছে মানি। কিন্তু মানুষ খুন করলে যাবজ্জীবন হতে পারে, মানবতা খুন করলে ফাঁসির বিকল্প নাই। রাজাকারেরা মানবতা খুন করেছে। এদের রেহাই নাই।

৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত, ২ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের পূন্যভুমিতে রাজাকারের ঠাই নাই। জামাতের ঠাই নাই। জামাতের কোন সংগঠন, প্রতিষ্ঠানের ঠাই নাই। বাংলাদেশ হবে জামাতে ইসলাম মুক্ত।

দেখা হবে প্রতিদিন, প্রতিরাত শাহবাগে। কেউ থাকুক না থাকুক নিজের সময় থেকে কিছুটা সময় প্রতিদিন শাহবাগে।

জয় শাহবাগ, জয় তারুন্য, জয় বাংলা।