Archive

Reflections

আমি মৃত্যু বিলাসী মানুষ। প্রায়ই ভাবি, আমি মারা গেলে কেমন হবে? কে কাঁদবে আর কে কাঁদবে না। মৃত্যুপুরীর দৃশ্যপট ভাবি। এক ধরনের জানা-অজানার খেলা। সব আন্দাজ করতে পারি, কিন্তু ঘটনা ঘটলে কি হবে তা আমি কি করে জানি। শুধু প্রিয় মানুষগুলো অনেক কষ্ট পাবে, তাই মনে হয়েই আমার নিজের কান্না পায়। আবার, এক কাঠি সরেস হয়ে কখনো কখনো, মা-বাবা মারা যাবার দৃশ্য কল্পনা করি। আমার এই মৃত্যু বিলাসিতা অনেকের বিরক্তির কারণ। আসলে, মৃত্যুর মধ্যে এক ধরনের সত্য থাকে। একজন মানুষকে হারানোর কষ্ট থাকে, কখনো না দেখার, না ছোঁয়ার কষ্ট বয়ে বেড়ায় যারা বেঁচে থাকে। যারা ভালবাসে আর বেঁচে থাকে তাদের শোঁকের মধ্যে এক ধরনের রোমান্টিকতাও থাকে। গান, কবিতা বা ছবি ইত্যাদি আগলে ধরে অনুভব করতে চায়। এই রোমান্টিকতাই আমার কাল।

আজ সাদমানের মৃত্যুর একমাস পূর্ন হল। আজ পর্যন্ত আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন রাত ছিল ঊনিশে অগাস্ট দুই হাজার চৌদ্দ। অবিশ্বাস, বিস্ময় আর শোকের রাত। ছোট ভাইয়ের নিথর মৃত দেহ দেখে, গত একমাস প্রায় বেশির ভাগ রাত নির্ঘুম পার করেছি। একা একা কেঁদে জীবনানন্দ পড়েছি। সাধারণত, জীবনানন্দ পড়ি না, পড়লেই এই মৃত্য চিন্তা জেঁকে বসে মাথায়। কিন্তু গত একমাস মৃত্যু ছাড়া গান কবিতা শুনিনি, পড়িনি। সাদমানের কথা ভাবতেই আমার সবচেয়ে ভাল লাগে। কাউকে পেলেই ওর গল্প বলি, যত ওর কথা বলি ততই মনে হয় ও কাছে আছে। মাঝে মাঝে সিটি অভ এঞ্জেলস বা ঘোস্ট ছবির মত ওর অস্তিত্ব অনুভবের চেষ্টা করি।

আমার তখন সাড়ে সাত, বাড়িতে লাল টুকটুক ভাই আসল। চাচা মামনির চৌদ্দ বছরের প্রার্থনার ফল সাদমান। সাত রাজার ধন মানিক ছিল চাচার। ওর কোন আবদার চাচা অপূর্ণ রাখেনি। এতদিন মনে হত এত আদরে ছেলেপুলে ঠিক মানুষ হয় না। আজকে মনে হয়, ভাগ্যিস চাচা ওর কোন সাধ অপূর্ণ রাখেনি। সাতাশ বছরে পাওয়া না পাওয়ার হিসেব করলে দেখা যাবে ওইগুলোই ছিল ওর সবচেয়ে বড় পাওয়া। মামনির ওপেন হার্ট অপারেশনের রাতে ওকে বাসায় নিয়ে এসেছিলাম। দুই ভাই বোন রাতভর গল্প করেছি। পলা আপু মিশিয়ে কিভাবে যেন পলাপু ডাকত। দাঁত চেপে কথা বলত। কখনো চকলেট, কখনো পোষ্টার, কখনো টেবিল ল্যাম্প আজগবি সব বায়না তার। কোনটা পূরণ করেছি কোনটা করতে পারিনি। প্রত্যেক পূরণ করতে না পারা বায়না আজ বুকের মধ্যে হুল ফোঁটায়। এবার ইচ্ছে ছিল ওর জন্মদিনে কেক বানাব, কিভাবে যেন হল না। আর হবেও না। ও জানবেও না, তবে এই না হওয়ার কষ্ট আমি আজীবন বয়ে বেড়াব। মাঝে মাঝে কিভাবে যেন বিভিন্ন কারনে ওর সাথে দেখা হত। তাও খুব মাঝে মাঝে এমন না, তিন চার মাসে এক আধ দিন। সেই দিন গুলো এই রাতে আমার কাছে দুর্লভ সোনার খনি। প্রত্যেকটি আলোচনা মনে করার চেষ্টা করি। একদিন মিরপুরে এক পাড়ার হোটেলে দুপুরে খিচুরি খাবার সময়, কোনও এক সন্ধ্যা বেলা ওকে ডাক্তার দেখানোর সময়, গভীর রাতে গাড়িতে, বা ছোট বেলায় আমার জন্মদিনে আমার জন্য উপহার হাতে সাদমানের কথা ভেবে আমি অশান্ত হই আর ভাবি, আমার চাচী যার জীবনের একমাত্র রুপকথা সাদমান, ও কিভাবে বাঁচবে?

মৃত্যু ভয়ংকর। আর আকস্মিক মৃত্যুতে যখন সাতাশে পা দেয়া তরতাজা যুবক মারা যায় তখন ভয়ংকর তার সংজ্ঞা হারায়। তার একা বসে থাকা বিধবা মা, ছেলের ফোন দিয়ে নিজেকে ফোন দেয় আর ছেলেকে অনুভব করে। সেই পরিস্থিতি কত কঠিন, কত ভয়ের তা দেখে মৃত্যু বিলাসিতা বাস্তবতার জানালা দিয়ে দৌড়ে পালায়।  মৃত্যুকে আর রোমান্টিক মনে হয় না। হয়তো আগামী কয়েক বছরে আমরা ওকে ছাড়া বাঁচতে শিখে যাব, নিয়ম করে ওর জন্মদিন আর মৃত্যুদিন পালন করব। বেঁচে থাকার আনন্দে ঠিক যখন বিভোর, প্রকৃতির নিয়মে তখন হারাবো আরেক প্রিয় কাউকে। আজ যতই শপথ করি, বেঁচে থাকা প্রত্যেক ভালবাসার মানুষের খোঁজ নিব, আদতে হবে না। আবার শোক হবে, আবার রোমান্টিকতা হবে, আবার জীবন হবে, আবার শোক।

তুমি ভাল থেকো, ভালবাসা নিয়ো।

Advertisements

Ten years back on such autumn morning a group of 40 people started a 28 hours long journey to Cox’s Bazaar for Eid photo shoot of the summer fashion catalog. Like strangers we met, amidst countless waves, There I met a man who swept me off my feet and made me float on the water. No matter how much I loved the sea I always avoided getting deep inside. For me I was falling into the big blue ocean twice at the same time. First, I was literally falling into the sea and secondly into his arms.

People are always strangers. No matter how much habit you get used to with, no matter if you remember how much sugar the other person likes in his tea, how strong the coffee would be, which side of the bed he prefers to sleep or which his favorite song, he changes. The other person might start taking less sugar, lighter coffee or listens to a complete new genre of music. Then you adapt again. And the process goes on. It is a constant process of change, shuffle and adjust.

We still remain strangers. We still learn to cope with each others illness, mood swings and minor-major changes in habit that changes the entire being altogether. Now after ten long years, I started to know you all over once again. The journey begins once more. I wonder if I should again take up the tedious work of knowing someone deep or just let it be and try not knowing at all. There is nothing ‘absolute’ in human nature. Life is a constant process of change, for better or for worse. The real adventure lies in managing thyself. It is more challenging to know what we want for ourselves. If you know and understand yourself, everything else will fall into the right place. I want my wings back, to fly and feel, if you care tag along. I want to fly high, fly with me, dive in-dive out, swirl, toss, shake and fly.

First published: http://blog.tehelka.com/justice-delayed-and-denied-as-well/
Date: July 15, 2013

The entire nation of Bangladesh had almost come to a halt since dawn on 15 July, the day when the verdict of Ghulam Azam had been scheduled. Anticipation, pondering, debate, tension, pandemonium, everything focused on only this issue. Meanwhile, the Jamaat-e-Islami had called for a nationwide strike demanding the release of Ghulam Azam. If you have carefully followed the history of Bangladesh, you would be familiar with his name. To those unaware, Ghulam Azam was the ring leader of the war criminals during the 1971 war of independence against Pakistan.

Jamaat-e-Islami and its allies Al Badr and Al Shams, have been followers of Ghulam Azam and worked against independence. During the liberation war, which lasted for about nine months, three million people were killed and about two lakh women were raped, by some estimates. Almost ten million people took refuge in India and the leading academicians and intellectuals were abducted and murdered just before independence – all of which were initiated, led and managed by Ghulam Azam.

Even after independence, he continued to work against Bangladesh. This time he rooted for terrorism in the country, in the name of Islam. He allegedly gathered funds from the Middle East and Pakistan. Many say he was a language movement veteran too. Later, he went on to say that taking part in the language movement was a great mistake and that he wanted to work for a united Pakistan.

When the war crimes tribunal began its activities, all of us had assumed Ghulam Azam would be hung. Every child in Bangladesh has grown up with a sense of hatred against Azam, so much so that since 1971, not one child has been named Ghulam Azam. Acclaimed writer Humayan Ahmed once wrote “Tui Razakar” in a television drama, which translates to “you are a war criminal”, and since then this notion has become very famous and has been used for every war criminal, especially Ghulam Azam.

The International Crimes Tribunal in Bangladesh has now finally announced their verdict and five allegations were proved against him, most of which were of the highest degree. He was sentenced to 90 years of imprisonment- a very disturbing and frustrating judgment, I would say.

As soon as the verdict was out, almost all the social networking websites were flooded with reactions. Pro-Shahbag and liberation forces expressed their anger and frustration against the ruling party and the judiciary. On the other hand, Jamaat-e-Islami and its allies seemed quite relaxed and calm. Yet, they’ve placed demands to free Ghulam Azam unconditionally. Shahbag activists have resumed their protest. Apparently, the driving force behind the lenient judgment was his age. He is 91 years old. But this cannot be reason enough. His mass killings didn’t spare infants or pregnant ladies. He didn’t spare old men either. He never showed mercy for the citizens of Bangladesh, he still doesn’t. I wonder why the judiciary has shown mercy based on his age.

Apparently, 90 years of imprisonment is sufficient for a 91-year-old prisoner. Being politically correct, that is the highest punishment, every human rights activist will justify too. Frankly, I think even 900 years of imprisonment would seem less, so 90 years is almost like no punishment given at all. According to the constitution of Bangladesh, death penalty is the highest form of punishment, and he deserves nothing less.

Six million Jews were killed over six years during the Holocaust. If Bangladesh had required a similar timeframe for independence, the rate at which Azam and his allies committed acts of mass murder in the nine months, the entire nation would have been dead by 16 December, 1971.

We had expected God to show some mercy, that we’d be able to see Ghulam Azam be hanged. If this had been the case, three million martyrs and two hundred thousand rape victims would finally get justice. But, after the verdict, I know each and every soul feels disgusted. We’ve failed to honour our heroes. The blood soaked birth of Bangladesh has been reduced to a joke. Justice, has been delayed and denied.

First Published: http://blogs.dw.de/womentalkonline/2013/07/04/the-fair-factor/
Date: 04.07.2013 | 14:44

In newspapers there is a section called “personal ads.” When I was younger, I remember reading these personal ads, hiding from my mother since the content was explicit. Now, 25 years later, the language is the same: “Groom needed for a fair, pretty Muslim/Hindu girl,” or “A pretty fair bride needed for a businessman.” I wonder, even after so many years, why do women still have to be fair and pretty to be eligible for marriage?

I understand that to attract eligible bachelors you need to highlight certain qualities, but why are education and other acquired skills so low on the list of priorities? The media has played a big role in creating the demand for fair-skinned girls in the Indian subcontinent.

Skin whitening creams are one of the most consumed products available in the stores. There is an advertisement for the fairness cream “Fair and Lovely.” The groom’s family comes to meet the girl but they leave since the girl is not fair enough for their standards. A family relation advises her to use “Fair and Lovely” and within 4-6 weeks she becomes fair and pretty. She bumps into the suitor who rejected her, only this time he insists on marrying her and surprisingly, she agrees. I find this not only hilarious but also very dumb. Television ads have a huge influence on people’s choices and their decisions.

Dark-skinned girls are probably the most vulnerable as far as social prejudice is concerned. Being fair-skinned seems to automatically imply that a girl is beautiful whereas being dark-skinned is usually equated with being ugly and evil.

Dark-skinned girls constantly get bullied by people around them for the complexion they were born with. In rural areas of Bangladesh, if a girl is born with darker skin, the parents start worrying from day one about how difficult it would be to get her married off.

Her parents think about the dowry, which will be set on a high range as no man would willingly marry a dark girl. There was a girl who used work for us as a house help, as my son’s nanny for three years. Her name is Reshma. She was young, cheerful and hardworking. One day her mother came and told us that she wanted to take Reshma home for her wedding with a boy from the same village as hers.

I was very happy for her, but Reshma had tension written all over her face. She inquired immediately- how much have they settled the wedding for? Her mother said they’d settled it for 50,000 Taka, around 500 euros.

They both looked worried because this was a big amount to them. My big question to the mother was, “Why must you pay dowry, why can’t it be done without this? And if you can pay this much for her wedding, then what stopped you to spend that for her education?”

Maybe they thought I was some kind of a Marie Antoinette. The answer was very simple, “Have you seen her face,” the mother went on, “She is dark as coal. Who will marry her without the money?” The problem here is that the daughter too has accepted the fact that they have to pay for her dowry, that too pretty high amount as she is dark.

I tried to make them realize, men who will marry her for money, can’t be a good catch and she needs to look for an alternative where her qualities will be appreciated.

I know, whatever I say won’t work as this problem has entrenched itself deeply. Rich people directly don’t pay dowry but indirectly they shower the groom with gifts. Every bride-seeking ad says “Looking for a fair girl.” Do you ever wonder what happens to the girls who don’t have enough money to give dowry? They rarely have any luck where marriage is concerned.

It is very demeaning and insulting. When two people start living together, looks are perhaps the last things on one’s mind. Compatibility, educational background and other skills are the things that should carry value in setting the criteria for bride or groom. Every human in the world is fond of pretty or beautiful partners. Mass level of awareness is required to make the people realize that in this time or era, complexion shouldn’t be the only criteria for choosing partners.

Author: Aziza Ahmed

Editor: Manasi Gopalakrishnan

আশেপাশের যাবতীয় দাবির মধ্যে আমারও কিছু দাবি আছে যা আমার মনে হয় এখন বলতেই হবে। আমি ধর্মপ্রান না নাস্তিক তার বিচার করার অধিকার কারো নাই। আমার মতে এই মুহুর্তে সরকারকে কঠিন হাতে এদের দমন করতে হবে। আমরা ঘরে বসে থেকে দেশকে আফগানিস্তানের পরিণতির দিকে ঠেলে দিতে পারি না। সময় এসেছে এদের দেশ থেকে চিরতরে ছুঁড়ে ফেলে দেবার। প্রত্যেকে ধর্মব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করি।

আমার ব্যাক্তিগত দাবিঃ

১। সকল যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২। জামাত ও সকল ধর্মীয় মৌলবাদী দল নিষিদ্ধ ঘোষনা করতে হবে।
৩। হেফাজতের ১৩ দফা দাবি নিষিদ্ধ করতে হবে।
৪। হেফাজত, আহলে সুন্নত, জামাত শিবির, জামাতে ইসলাম ও এই সকল দলকে বাংলাদেশের কোনো স্থানে সভা সমাবেশ করতে দেয়া হবে না।
৫। মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা বন্ধ করতে হবে। দেশে একটিমাত্র শিক্ষা ব্যবস্থা থাকবে, আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা। সরকারীভাবে পরিচালিত কিছু কাওমী মাদ্রাসা থাকবে, যারা কোরআন পড়তে চান তাদের জন্য।
৬। নারীনীতির বাস্তবায়ন করতে হবে।
৭। শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি, তাদের কর্মক্ষেত্রের সার্বিক পরিবেশের উন্নয়ন, তাদের বিনামুল্যে শিক্ষা, চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

বেঁচে আছে, বেঁচে আছে… শুনেই সবাই একসাথে উল্লাসে ফেটে পড়ছে। হ্যাঁ, সে বেঁচে আছে, অবহেলায়, নিপীড়নে, দমনে ও করুনায় সে বেঁচে আছে। জীবনের তাগিদে, বাবার ওষুধে, মার আশায়, ছেলের খেলনায় বা বউয়ের শাড়িতে তাকে বেঁচে থাকতেই হচ্ছে। কিন্তু এ কেমন বেঁচে থাকা? এ কেমন জীবন? বাবা মার একমাত্র ছেলে সুজন। সুজনের মানে, সুন্দর যেইজন। মার চোখের মনি, বৃদ্ধ বাবার সম্বল, স্ত্রীর প্রেম ও সন্তানের রক্ষক সে। গরিব পরিবারের একমাত্র অবলম্বন। ফিরে পাওয়া ছেলের মাথা বুকে গুঁজে মা, ক্রমাগত সৃষ্টীকর্তাকে ধন্যবাদ দিয়ে যাচ্ছেন।

নিউ ওয়েভ পোষাক তৈরী কারখানায় কাজ করতেন, ২৪ এপ্রিল সকাল বেলায় ঘুম ভাঙে রোজকার মত। আজ কাজ নেই, ভবনে ফাটল দেখা গেছে। কালও কাজ হয়নি। তবু তৈরী হয়ে বাড়ি থেকে বের হলেন। যেখানে চাকরি করেন তিনি, সেই প্রতিষ্ঠান আজকে বিপদে আছে। যদি ভেঙ্গে পড়ে? তবে তাদের এমাসের বেতনের কি হবে? কিন্তু, কাজে যেতেই ধরে বেঁধে ভবনে তুলে দেয়া হল। ভবনের ফাটা, ইঞ্জিনিয়ার সাহেব দেখে গেছেন। আজ আর ভয় নেই। কাজ করা যাবে। তার মন বলছিল, উচিৎ হচ্ছে না। আপত্তি জানাতেই ম্যানেজার বললেন, বেতন পাবে না আগামী মাসে। ভয়ে ভয়ে কাজ শুরু করে সে। প্রথম আঊটপুট রেডি, ফ্লোর ইন-চার্জ দেখতে আসবেন। হঠাত বিদ্যুৎ চলে যায়। জেনেরেটর চালু করার পরপরই বিকট শব্দে ফেটে পড়ল চারদিক। ধ্বসে পড়ল সম্পুর্ন ভবন। ৯ তলা ভবন পাউরুটির মত ২ তলা হয়ে গেল নিমিষেই। ভেতরে আটকা পড়ল ৩২০০ জন মানুষ।

কাঁদতে কাঁদতে জীবিত ফিরে আসা রোকেয়া বলেন, “১৫ মিনিট ধরে ভবন কাঁপছে। কিন্তু মালিক এত নির্মম তা তো জানা ছিল না। শিফট ম্যানেজার চাইলেও আমরা বেরোতে পারতাম। সিড়ি দিয়ে বের হওয়ার সময়ই অধিকাংশ লোক মরেছে। মালিক একটা জানোয়ারের বাচ্চা। সেই জোর করে সবাইকে ভবনে এনেছে।” মালিকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেই অঝোরে কাঁদতে শুরু করলেন স্বামীর জন্য। সে কি বেঁচে আছে, নাকি মরে গেছে? আমি একটু আগে এটিএন নিউজে সাভারের মৃত্যুকূপ থেকে বেঁচে যাওয়া দুই গার্মেন্টস শ্রমিকের মর্মস্পর্শী বর্ণনা শুনছিলাম! দু’জনেই বলছিলেন জীবনে বেঁচে থাকলে আর গার্মেন্টেসে কাজ করবেন না! ইয়াসমিন বলেন, আজ এটা ভেঙ্গে পড়ে, তো কাল ওটা, আরেকদিন সেটাতে আগুন লাগে, এভাবে আর না! অন্য যেকোনো কাজ করবেন যদি সুস্থ হন, তবে মরার পোশাক শিল্পে আর কখনই না।

ক্রিকেট স্কোর কার্ডের মত জীবিত, মৃত বা আটকে পড়া মানুষের হিসাব চলছে। কেউ বলছে আর পাঁচ – সাত’শ মানুষ বাকি আছে। পাঁচ – সাত’শ? এই নম্বরের ব্যাবধানে দুইশ মানুষের জীবন প্রশ্নের মুখে। অথচ আমরা কত অবলীলায় ২০০ জীবনের ব্যাপারে অজ্ঞ্যাত। যদি একটি পরিবারের একজনকেও খুঁজে বের করা না হয় তবে বাকি ৩৪৯৯ জন মানুষে তাদের কি আসে যায়? আজকে সারাদিন ভেবেছি, আসল সংখ্যা কত? আসলে ভেতরে ঠিক কত মানুষ ছিল? ঠিক কতজন জীবিত আছে ওই মৃত্যুকূপে? আর কতজন আটকা আছে লাশ হয়ে? কতজন উদ্ধার কর্মী ভেতরে আটকা পড়ে গেছে? আর কতজন এখনো আশায় আছে, টিম টিম করে জ্বলছে তাদের জীবন বাতি, কখন তাঁরা ঘরে ফিরবে?

গার্মেন্টস মালিকরা আপনারা সবকিছু দেখছেন তো? একটুও কি জেগেছে আপনাদের বিবেক? একটুও কি মনে হচ্ছে, যাদের রক্তের দামে দামি গাড়ি হাকাচ্ছেন, বিদেশ ভ্রমন করছেন বা সন্তানকে পড়াচ্ছেন বিদেশে তাদের রক্তের দাম কত? আপনাদের জীবনের নিরাপত্তা বিধানে তাদের আত্মত্যাগ, আপনাদের কি নাড়া দেয় আদৌ?

Bengali Women

All about Bengali Women.

Oh So French

Our chic guide to styling & feeling fabulous in your lingerie.

তৈমুর রেজা

বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে অনধিকার-চর্চার ব্লগ

foods-at-home

real taste

Hiking Photography

Beautiful photos of hiking and other outdoor adventures.

Art of Appreciation Gourmet Gift Baskets

Luxury touches, affordable prices.

Rosewode

Holistics, Skin, Beauty

dollop natural bodycare

Paraben free aromatherapy skin care

Ariston Organic

"The Best of the Best"

Bloom Room SF Blog

www.BloomRoomSF.com

jodyvein26

A fine WordPress.com site

sphereheals

Where reality bends to Wholeness

saunglestreats.com Wonder of the Week

Natural treats just for you!

The Honey Cottage

Do You Know Where Your Honey Comes From? We Do!

Herbal Living

live~love~herbs

My Digital Kitchen

Healthy choices that your palate will savour but your tummy won't regret.

Ironwoman Dreams

If I can do this, anyone can.